দক্ষ প্রশাসনিক আধিকারিক নয় , দুর্নীতির ঘানি টানতে কলুর বলদেই ভরসা করতেন টি.টি.এ.এ.ডি.সি এর মুখ্য কার্য্য নির্বাহী সদস্যরা।

দক্ষ প্রশাসনিক আধিকারিক নয় , দুর্নীতির ঘানি টানতে কলুর বলদেই ভরসা করতেন টি.টি.এ.এ.ডি.সি এর মুখ্য কার্য্য নির্বাহী সদস্যরা।

নিজস্ব প্রতিনিধি – দক্ষ প্রশাসনিক আধিকারিক নয় , দুর্নীতির ঘানি টানতে কলুর বলদেই ভরসা করতেন টি.টি.এ.এ.ডি.সির মুখ্য কার্য্য নির্বাহী সদস্যরা। অন্তত টি.টি.এ.এ.ডি.সি এর মুখ্য কার্যালয় সংলগ্ন জেড ডি ও ওয়েস্ট জোনের কার্যালয়ের ইনকামবেন্সি বোর্ডে নজর রাখলে এমনটাই ধারণা হওয়া সাভাবিক। সেই ইনকামবেন্সি বোর্ডে নজর রাখলে দেখা যায় ১৯৮৯ সাল থেকে আজ পর্যন্ত সেখানে মোট ১৭ জন জেড ডি ও নিযুক্ত হয়েছেন। যাদের মধ্যে সকলেই টি.সি.এস ক্যাডার। একমাত্র ১৫ নম্বর জেড ডি ও হিসেবে নিযুক্ত উপেন্দ্র দেববর্মা ছাড়া। ইনকামবেন্সি বোর্ডে আরো লক্ষ্যনীয় বিষয় টি.সি.এস ক্যাডার আধিকারিকরা সবাই এক থেকে দুই বছরের মধ্যে বদলি হয়ে যান। কিন্তু টি.সি.এস ক্যাডার এর পদমর্যাদার  আসনে বসে একজন নন টি.সি.এস ক্যাডার কোনো এক অজ্ঞাত কারনে দীর্ঘ সাত বছর আসীন থাকেন। ২০১৪ সালের মাঝামাঝি বিষয়টি নজরে আসে প্রতিবাদী মানসিকতা সম্পন্ন এক ব্যক্তির। তিনি টি.টি.এ.এ.ডি.সি এর মুখ্য কার্যালয়ে তথ্য জানার অধিকার আইনের মাধ্যমে বার বার এই তথ্য গুলো সরবরাহ করার অনুরোধ করে।

টি.টি.এ.এ.ডি.সি এর, জেড.ডি.ও পোস্ট এর জন্য রিক্রুটমেন্ট রুল অনুযায়ী কি কি যোগ্যতা থাকা প্রয়োজন। উপেন্দ্র দেববর্মা যে আদেশের ভিত্তিতে জেড ডি ও পদে নিযুক্ত হয়েছেন সেই আদেশের প্রতিলিপি।

উপেন্দ্র দেববর্মা কোন ব্যাচে এবং কোন বৎসর টি.সি.এস সম্পন্ন করেন তার প্রমান পত্র।

কিন্তু তৎকালীন টি.টি.এ.এ.ডি.সি প্রশাসনের মুখ্য আধিকারিকরা তথ্য জানার অধিকার আইনের আবেদনকে বার বার অবহেলা করায় তারা তৎকালীন রাজ্য তথ্য কমিশনের মুখ্য কমিশনার এস.কে সত্যনারায়না মহাশয়ের রোষানলে পড়েন ও তাদের দুর্নীতির তল্পিবাহক জেড.ডি.ও উপেন্দ্র দেববর্মাকে তড়িঘড়ি সরিয়ে নেন।

যেহেতু উপেন্দ্র দেববর্মা টি.টি.এ.এ.ডি.সি এর তৎকালীন মুখ্য কার্য্যনির্বাহী সদস্য ডঃ রঞ্জিত দেববর্মার ও রাধাচরন দেববর্মার দুর্নীতির ঘানি টানতে কলুর বলদের মতো ফাই ফরমাস খাটতেন, তাই সেই যাত্রায় সাড়ে পনের কোটি টাকার এডজাস্টমেন্ট না দিয়ে ও দপ্তর থেকে বদলি হয়ে যান নন টি.সি.এস ক্যাডার জেড ডি ও উপেন্দ্র দেববর্মা।

পরবর্তী সময় আরোও জানা যায় উপেন্দ্র দেববর্মা নিয়োগ সংক্রান্ত কোনো সরকারী বিজ্ঞাপন ছাড়াই টি.টি.এ.এ.ডি.সি’তে নিয়োগ পান। উপরন্তু, তিনি তার আগে আমবাসা বিদ্যালয় শিক্ষা অধিকর্তার কার্যালয়ে করণিক হিসেবে কাজ করতেন। সেখানেও ইস্তফা দেননি উপেন্দ্র দেববর্মা।

কিন্তু অদূর ভবিষ্যতে উপেন্দ্র দেববর্মার দুর্নীতির সমস্ত তথ্য রাজ্য বাসীর স্বার্থে তথ্য সমেত তুলে ধরা হবে। কারন উপজাতিদের উন্নয়নের বরাদ্ধকৃত কোটি কোটি টাকা কে বা কাহারা আত্তসাৎ করেছেন তা জানা প্রয়োজন রাজ্যবাসীর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *