সুশান্তের বদলি শুধু প্রতিবাদী উপজাতিদের আই ওয়াশ করা মাত্র। পেছনে রয়েছে দুষ্ট চ্ক্র।

সুশান্তের বদলি শুধু প্রতিবাদী উপজাতিদের আই ওয়াশ করা মাত্র। পেছনে রয়েছে দুষ্ট চ্ক্র।

গত ১১/১১/২০২০ ইং তারিখের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনৈক রথিশ দেবনাথের একটি পোস্টকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা দেয় কাঞ্চনপুরে।

পোস্টটিতে রথিশ দেবনাথ কাঞ্চনপুর কৃষি দপ্তরের সুপারেন্ডেন্টের কার্যালয়ের কর্তব্যরত Jr. Engg (civil) সুশান্ত বড়ুয়ার তপঃশিলী উপজাতি সংসাপত্র দিয়ে 2005 সালে সরকারি চাকুরি বাগিয়ে নেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন। কারন ০৩/১০/২০০২ সালে ত্রিপুরা উপজাতি কল্যাণ দপ্তর, তৎকালীন দপ্তরের কমিশনারের সাক্ষরিত যে নোটিফিকেশান জারি করে তাতে স্পষ্ট শুধু সুশান্ত বড়ুয়া কেন বড়ুয়া সম্প্রদায়ের কোন ব্যাক্তিই তপঃশিলী উপজাতি সংসাপত্র ব্যাবহার করতে পারেন না। কিন্তু রাজ্য কৃষি দপ্তরের অধিকর্তার কার্যালয় থেকে তথ্য জানার অধিকার আইনে যে তথ্য প্রদান করা হয়ছে  তাতে দেখা যায় Jr. Engg (civil)  সুশান্ত বড়ুয়া সম্পূর্ণ নিয়ম বহির্ভূত ভাবে তপঃশিলী উপজাতি সংসাপত্র ব্যাবহার করেছেন সরকারী চাকুরী বাগিয়ে নিতে। ২০০৫ ইং সালে কাঞ্চনপুরের সি.পি.এম বিভাগীয় কমিটির দুই নেতাকে মোটা টাকা প্রদানের বিনিময়ে সুশান্ত বড়ুয়া একজন জেনারেল ক্যাটাগরির নাগরিক হয়েও তপঃশিলী উপজাতি সংসাপত্র ব্যাবহার করে চাকুরী পেয়ে যান।

তাই গত ১১/১১/২০২০ইং তারিখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করা রথিস দেবনাথের পোস্টটি ঝড়ের গতিতে ভাইরেল হতে থাকে । উপজাতিদের বিভিন্ন সংগঠন থেকে এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে আওয়াজ উঠতে থাকে এবং সুশান্ত বড়ুয়ার উপযুক্ত শাস্তির দাবি করা হয়।

কিন্তু এবারও কুট কৌশলের মাধ্যমে সুশান্তকে বাঁচিয়ে দেবার খেলায় নেমেছেন কিছু ধরিবাজ। তাদের চেষ্টায় সুশান্তকে কাঞ্চনপুর থেকে ধর্মনগরের কৃষি দপ্তরের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারের কার্যালয়ের বদলি করা হয়। শুধুমাত্র প্রতিবাদী উপজাতি অংশের মানুষের আই ওয়াশ করার উদ্দেশ্যে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *